পরিবৃত্ত - অন্তবৃত্ত - নববিন্দু বৃত্ত এর ব্যসার্ধ
পরিবৃত্ত - অন্তবৃত্ত - নববিন্দু বৃত্ত এর ব্যসার্ধ
ত্রিভুজের তিনটি বাহু জানা থাকলে এর অন্তবৃত্তের ব্যসার্ধ বের করার সূত্র:

:::info
👉🏽 নোট: অন্তবৃত্ত হচ্ছে ত্রিভুজের ভেতরে আঁকা ত্রিভুজ যেটা এর প্রত্যেকটি বাহুকে স্পর্শ করে।
:::

ত্রিভুজের তিনটি বাহু জানা থাকলে এর পরিবৃত্তের ব্যসার্ধ বের করার সূত্র:

:::info
👉🏽 নোট: পরিবৃত হচ্ছে ত্রিভুজের বাইরে আঁকা ত্রিভুজ যেটা এর প্রত্যেকটি শীর্ষকে স্পর্শ করে।
:::

পরিবৃত্তের ব্যাসার্ধ জানা থাকলে নববিন্দুবৃত্তের ব্যসার্ধ বের করার সূত্র:

👉🏽 নোট: কোন ত্রিভুজের তিনটি বাহুর মধ্যবিন্দুত্রয়, শীর্ষবিন্দুগুলো থেকে বিপরীত বাহুর উপর অঙ্কিত লম্ব তিনটির পাদবিন্দুত্রয় এবং ত্রিভুজটির লম্বকেন্দ্র থেকে এর প্রতিটি শীর্ষের মধ্যবর্তী রেখাংশের মধ্যবিন্দুত্রয় মোট এই নয়টি বিশেষ সমবৃত্তীয় বিন্দু দিয়ে যে বৃত্তটি অতিক্রম করে তাকে জ্যামিতির ভাষায় নববিন্দু বৃত্ত বলা হয়।

(উপরের সংজ্ঞা বেশী কঠিন লাগলে এভাবে খেয়াল করো)
ধরো, তুমি একটা ত্রিভুজ এঁকেছ। এখন তিনটা কাজ করোঃ
১. ত্রিভুজের তিনটা বাহুর ঠিক মাঝখানের পয়েন্টগুলো চিহ্নিত করো। (পেলে তিনটা পয়েন্ট)
২. প্রত্যেকটা কোণা (শীর্ষবিন্দু) থেকে তার উল্টো দিকের বাহুর ওপর একটা করে লম্বা দাগ (লম্ব) টানো। এই লম্বা দাগগুলো বাহুকে যেখানে ছুঁয়েছে, সেই পয়েন্টগুলো চিহ্নিত করো। (পেলে আরও তিনটা পয়েন্ট)
৩. সবশেষ, ওই যে তিনটা লম্ব এঁকেছ, তারা দেখবে একটা পয়েন্টে মিলেছে (এটাকে বলে লম্বকেন্দ্র)। এখন ওই লম্বকেন্দ্র থেকে ত্রিভুজের তিনটা কোণার মাঝখানের পয়েন্টগুলো বের করো। (পেলে আরও তিনটা পয়েন্ট)
এই যে মোট নয়টা পয়েন্ট পেলে, এই নয়টা পয়েন্টের ওপর দিয়ে সবসময় একটা বৃত্ত আঁকা যায়। আর এই বৃত্তটাকেই বলে নববিন্দু বৃত্ত।